• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
anandabinodon.

প্রথমবার জুটি বাঁধলেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল, আসছে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’


FavIcon
আনন্দ বিনোদন
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 15, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: ad728

আনন্দ বিনোদন ডেস্ক:  প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আরিফিন শুভ ও অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। নির্মাতা জাহিদ প্রীতম পরিচালিত চরকি অরিজিনাল ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর মাধ্যমে দর্শকদের সামনে আসছে এই নতুন জুটি। ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের সপ্তম ফিল্ম হিসেবে নির্মিত হয়েছে এটি। প্রযোজনায় রয়েছে চরকি এবং সহ-প্রযোজনায় প্রতিষ্ঠান ছবিয়াল।

নির্মাতা জাহিদ প্রীতম জানান, সমকালীন সমাজ, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে চলচ্চিত্রটির গল্প। তাঁর ভাষায়, ভিন্ন প্রজন্মের দুই মানুষের জীবনদর্শন, সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির সংঘাত ও সমন্বয়ই এই ফিল্মের মূল উপজীব্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গল্পটি দর্শকদের ভাবতে বাধ্য করবে।

‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এ আনিস চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। অ্যাকশনধর্মী বা শক্তিশালী চরিত্রে পরিচিত এই অভিনেতাকে এবার দেখা যাবে একেবারেই ভিন্ন রূপে। মফস্বলের দায়িত্বশীল, আত্মনির্ভরশীল এবং পরিবারকেন্দ্রিক এক তরুণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। শুভ বলেন, চরকির ‘উনিশ২০’-এর পর এটি তাঁর নতুন কাজ এবং এমন চরিত্রে আগে কখনো অভিনয় করেননি।

অন্যদিকে, উচ্চবিত্ত শহুরে তরুণী ‘অনামিকা’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সেলিব্রিটি সংস্কৃতি এবং ভার্চ্যুয়াল জীবনের আকর্ষণে গড়ে ওঠা একটি চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। কেয়া জানান, আরিফিন শুভর সঙ্গে প্রথম কাজ, চরকিতে অভিষেক এবং জাহিদ প্রীতমের পরিচালনায় অভিনয়ের সুযোগ—এই তিনটি কারণেই প্রকল্পটি তাঁর কাছে বিশেষ।

নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রযুক্তিনির্ভর জীবন, মানসিক দূরত্ব এবং পারিবারিক মূল্যবোধের পরিবর্তনকে হাস্যরস, রোমান্স ও আবেগের মিশেলে তুলে ধরা হয়েছে এই ফিল্মে। প্রতিটি বাঙালি পরিবারের সঙ্গে গল্পটির আবেগের সংযোগ তৈরি হবে বলেও তাঁর বিশ্বাস। চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের প্রতিটি গল্পই সম্পর্কের ভিন্ন মাত্রা তুলে ধরে। ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-ও সেই ধারাবাহিকতার একটি নতুন সংযোজন। সহ-প্রযোজক নুসরাত ইমরোজ তিশা বলেন, সম্পর্কের টানাপোড়েন, মতের অমিল এবং একে অপরকে বোঝার চেষ্টাই এই গল্পের সবচেয়ে বড় শক্তি। পাশাপাশি দর্শকরা আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েলকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে আবিষ্কার করবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এর আগে ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের আওতায় ‘সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’, ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগ্যামি’, ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’, ‘ফরগেট মি নট’, ‘৩৬–২৪–৩৬’ এবং ‘ডিমলাইট’ মুক্তি পেয়েছে। ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সেই তালিকায় নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে।